বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

সাবমেরিন কেবল মেরামতে ইন্টারনেটে ধীরগতি

সর্ব প্রথম ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলের (সাউথ ইস্ট এশিয়া-মিডিল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৪) সঙ্গে যুক্ত হয়। সংস্কার কাজের জন্য দীর্ঘ ১২ বছর পর এবারই দেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল সম্পূর্ণ বন্ধ রেখে মেরামত করার কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। গত মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়া দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) দিয়ে বিকল্প পদ্ধতিতে দেশের ইন্টারটেন সেবা চালু রাখা হবে।

প্রথম সাবমেরিন কেবলের চেয়ে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের ইন্টারনেট সরবরাহ ক্ষমতা অনেক কম। ফলে প্রতিদিন দেশে ১০০-১৫০ জিবিপিএস (গিগা বিট পার সেকেন্ডে) ডাটা ঘাটতি থাকবে। এরফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বেশ দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

ইন্টারনেটের ধীর গতির কারণে বাংলাদেশের হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সারা খুব বেশি ভোগান্তির শিকার হবেন, যারা বিদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাজ করে থাকেন। চুক্তিবদ্ধ হওয়া কাজ সময় মতো জমা দিতে না পারার কারনে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীনও হতে পারে। পাশাপাশি বাংলাদেশের আউটসোর্সিংয়ে বিরুপ প্রভাবও সৃষ্টি হতে পারে।

তবে যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা মূলক ব্যবসা, ই-কমার্স বা ওয়েবসাইট হোস্টিং ব্যবসা পরিচালনা করেন তাদের তেমন কোন দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। তাদের বেশির ভাগ ক্রেতা বা গ্রাহক দেশীয় হওয়ায় খুব একটা সমস্যা হবে না। তবে যেসব ওয়েবসাইটের হোস্টিং দেশের বাইরে তাদের ওয়েবসাইট ব্রাউজিং ধীরগতি হবে।

দেশের দৈনিক ইন্টারনেট চাহিদা ৪৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ। এর মধ্যে শুধু প্রথম সাবমেরিন কেবল থেকে পাওয়া যায় ২৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ। ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল কেবল (আইটিসি) কোম্পানি থেকে আমদানি করা হয় ১৫০-১৬০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *