4g-bangladesh
টেলিকম

৪-জি আসলে আমাদের কি কি উপকার হবে বা কি কি সুযোগ-সুবিধা থাকছে

সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের দেশে আসছে ৪-জি সেবা। বিটিআরসির মতে আগামী মার্চের মধ্যেই পাওয়া যাবে ৪-জি সেবা। এরই মাঝে ৪-জি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে বাংলাদেশের মোবাইল কোম্পানী গুলো (গ্রামীণফোন, টেলিটক, বাংলালিংক, রবি এবং সিটিসেল)। সকল বিভাগীয় শহরের মানুষের কাছে ৪-জি সেবাকে পৌঁছে দিতে বিটিআরসি মোবাইলফোন কোম্পানীগুলোকে লাইসেন্স প্রদানের দিন থেকে ১৮ মাসের মধ্যে দেশের ৩০% জেলা শহর এবং ৩৬ মাসের মধ্যে দেশের সকল জেলা শহরে সেবা প্রদানের সময়সীমা বেধে দিয়েছে।

চলুন দেখে নেই ৪-জি দেশে আসলে আমাদের কি কি উপকার হবে বা এর ফলে আমরা কি কি সুযোগ-সুবিধা পাবোঃ

‘৪-জি’ এর মানে হল ৪র্থ জেনারেশন’ বা ‘চতুর্থ প্রজন্ম’ প্রযুক্তি। এটি মূলত তৃতীয় প্রজন্ম বা থ্রিজির পরের প্রযুক্তি। ‘আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন-রেডিও’ বা ‘ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল টেলিকমিউনিকেশন অ্যাডভান্সড’ (আইএমটিএ) অনুমোদিত ৪-জি নেটওয়ার্কের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড লিষ্ট রয়েছে। এই নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদান হবে ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ গতিতে। যে কোনো চলমান দ্রুতগতির যানবাহন বাস বা ট্রেনে ৪-জি নেটওয়ার্কে ইন্টারনেটের গতি হবে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট এবং স্থির অবস্থায় এই নেটওয়ার্কের গতি হবে প্রতি সেকেন্ডে এক গিগাবাইট।

এই প্রযুক্তির মাধ্যমে খুব সহজেই লাইভ ভিডিও কনফারেন্স বা হাই ডেফিনেশন টেলিভিশন অনলাইনে লাইভ স্ট্রিমিং সুবিধা পাওয়া যাবে। ৪-জি প্রযুক্তিতে মোবাইলে ভয়েস মেসেজ ও অন্যান্য তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা হবে অনেক বেশি ও শক্তিশালী। এ ছাড়া এই প্রযুক্তিতে গ্রাহক সব সময়ই মোবাইল অনলাইন ব্রডব্যান্ডের আওতায় থাকতে পারবে। এই প্রযুক্তির ডাউনলিংক স্পেকট্রাল এফিসিয়েন্সি হবে প্রতি সেকেন্ডে ১৫ বিট এবং আপলিংকের ক্ষেত্রে স্পেকট্রাল এফিসিয়েন্সি হবে ৬ দশমিক ৭৫ বিট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *