সচেতনতামূলক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভবিষ্যত ভয়াবহ

সম্প্রতি বুকার পুরস্কার বিজয়ী ব্রিটিশ লেখক হাওয়ার্ড জ্যাকবসন দ্য ইন্ডিপেনডেন্টে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন ফেসবুক-টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্মার্টফোনে ব্যবহারের কারণে তরুণ প্রজন্মের যোগাযোগের পদ্ধতি বদলে যাচ্ছে নাটকীয়ভাবে। এসবের কারণে তারা বই পড়ার অভ্যাস হারাচ্ছে।

ব্রিটিশ লেখক হাওয়ার্ড জ্যাকবসন আরও জানান,শুধু তরুণ প্রজন্মই নয়,তিনি নিজেও বইয়ের প্রতি আর তেমন মনোযোগ দিতে পারেন না। তার মনোযোগের একটা বড় অংশ চলে যায় মোবাইল বা কম্পিউটারের স্ক্রিনের পেছনে। তার ভাষায়, ‘আমি আগে যে পরিমাণ বই পড়তে অভ্যস্ত ছিলাম এখন আর পড়তে পারি না। তার মতে, ‘আগামী ২০ বছরের মধ্যে আমরা এমন শিশুদের পাব যারা পড়তে পারবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণায় দেখা গেছে,বর্তমানে কিশোর বয়সীদের মধ্যে একাকিত্বের মাত্রা সবচেয়ে বেশি এবং ২০০৭ সালে আইফোন বাজারে আসার পর তাদের অবনতি ঘটেছে মানসিক স্বাস্থ্যেরও।

অন্যএক গবেষনায় দেখা গেছে,পশ্চিমা বিশ্বে শিক্ষার মান অনেক কমে গেছে। ১৯৮২ সালের পর গত বছরই সাহিত্য পড়ার হার প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে সবচেয়ে কম। মাত্র ৪৩ শতাংশ মানুষ বছরে একটি বই পাঠ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *