নির্ধারিত মেয়াদে পাচ্ছে না জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্ট কার্ড

স্মার্ট কার্ড

২০১২ সালে নাগরিকদের স্মার্ট কার্ড জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার প্রকল্প নেয় সরকার। তিনবার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর পর এ বছরের মধ্যে স্মার্ট কার্ড বিতরণ শেষ করার কথা ছিল। দেশে মোট ভোটারের প্রায় চার ভাগের একভাগের স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়েছে। তবে বিতরণ করা হয়েছে এরচেয়েও কম। মূল চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে স্মার্ট কার্ড তৈরি ও বিতরণ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। আগামী বছরের মধ্যেও শেষ হওয়া নিয়ে আছে সংশয়।

প্রাথমিক লক্ষ্য অনুযায়ী, ৯ কোটি ভোটারের হাতে স্মার্ট কার্ড তুলে দেয়ার কথা। অথচ কার্ডই তৈরি হয়েছে মাত্র ২ কোটি ১৭ লাখ। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ বলছে, ছাপ নেয়ার যন্ত্র কেনার অনুমোদন না মেলায় সব জেলায় বিতরণও শুরু করা যাচ্ছে না। তাই আগামী বছরে বিতরণ শেষ করা নিয়েও আছে সংশয়। ফ্রান্সের যে প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেছিলো, তারা ৩০ মাসে ১ কোটি ২৯ লাখ কার্ড তৈরি করেছিল। এখন নির্বাচন কমিশনই মাসে ৪৫ থেকে ৫০ লাখ কার্ড তৈরি করছে।

বর্তমানে সেবাদানকারী ৮২টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মাধ্যমে একজন নাগরিকের তথ্য যাচাই করে। ড্রাইভিং লাইসেন্স, টিআইএন, পাসপোর্ট, চাকরির আবেদন, সম্পত্তি কেনাবেচা, বিয়ে রেজিস্ট্রেশন, ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলা ও ব্যাংক ঋণ, সরকারি কর্মচারীদের বেতন এবং অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন তোলাসহ আরও নানা কাজে এই পরিচয়পত্র এখন অপরিহার্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here